সাংবাদিককে হুমকির জের, মিরাজ ও কুসুমের বিরুদ্ধে সমন

0
40

নারী সাংবাদিককে হেনস্থা, ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করায় নাবিলা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির মহাসিচব পরিচয় দানকারী খন্দকার মিরাজুল ইসলাম ও তার অফিস সহকারি কুসুম আক্তারের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে।  এর আগে উভয় আসামির বিরুদ্ধে ৫০৬ পেনাল কোড মোতাবেক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।  গত ২০/১১/২৫ তারিখে দৈনিক দেশ সারাদিন ও দেশইনফো.কম.বিডির প্রকাশক ও সম্পাদক সাজেদা হকের দায়ের করা সাধারণ ডায়রি নম্বর ১৬৯৪/২৫ । পরে গত ৭/১২/২৫ তারিখে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে গত ৭/১২/২৫ তারিখে তদন্তের নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শেষে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর ইসলাম। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে বাদী সাজেদা হক ২০২৪ সালে সাংবাদিকদের একটি সংগঠনে নির্বাচন করার সময় নির্বাচনী পোস্টার ছাপানোর জন্য ১ নং বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলামের নাবিলা এন্টারপ্রাইজ, ৪৬/১, সোবহান ম্যানশন, নীচতলা, পুরানা পল্টনে যান এবং পরিচিত হন। সেখানেই অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করেন ২ নং বিবাদী কুসুম আক্তার। পরিচয় সূত্রেই নিয়মিত যোগাযোগ হয় এবং বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলামের সাথে বাদীর সুসম্পর্ক তৈরি হয়। সুসম্পর্কের জের ধরেই বিবাদীর সাথে বাদী সাজেদা হক দেশইনফো.কম.বিডি নামক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার জন্য ৪৬/১, সোবহান ম্যানশন, নীচতলা, পুরানা পল্টন ঠিকানাটিকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অফিস ভাড়া হিসেবে চুক্তি করেন। কিন্তু বিবাদী কখনো তাকে ৪৬/১, সোবহান ম্যানশন, নীচতলা, পুরানা পল্টন অফিস ব্যবহার করতে দেননি। ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারিখে অফিস ভাড়া দেয়া এবং অফিসে বসা বিষয়ে যোগাযোগ করতে গেলে ১নং বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলাম ও ২ নং বিবাদী কুসুম আক্তার বাদী সাজেদা হককে শারিরিকভাবে নির্যাতন, হেনস্থা করেন এবং ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন।

প্রতিবেদনে সাক্ষীদের জবানবন্দি, ভিডিও ফুটেজ ও পারিপার্শিক প্রমাণাদির প্রকাশ্য ও গোপন তদন্ত শেষে জিডির বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে চিহ্ণিত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তিনি প্রতিবেদককে জানান, জিডির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে বিস্তারিত আলোচনা সাপেক্ষে ১ নং বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলাম ও ২নং বিবাদী কুসুম আক্তারের বিরুদ্ধে পল্টন থানার নন এআইআর প্রসিকিউশন ধারা ৫০৬ পেনাল কোড দাখিল করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সমন জারি করেছে আদালত।

উল্লেখ থাকে যে, ১নং বিবাদী খন্দকার মিরাজুল ইসলাম ও কুসুম আক্তারের বিরুদ্ধে আরও একটি ক্রিমিনাল মামলা দায়ের করেছেন বাদী সাজেদা হক। সিআর মামলা নাম্বার ১৮০৬/২৫। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here