এখন অসাংবিধানিক তথাকথিত জুলাই সনদ ও ১৩২ টি অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতি যে স্বাক্ষর করেছেন তা ভবিষ্যতে সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে বর্তমান সংসদের উপর। যদি সংসদ মনে করে যে তথাকথিত জুলাই সনদের ধারাগুলো তাদের রাজনৈতিক অঙ্গিকারের সাথে মিলছে না তবে তারা কেবল চুপ থেকে বা অননুমোদনের মাধ্যমে তা বাতিল করে দিতে পারেন।
যেহেতু, জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার আগে বিএনপি বেশ কিছু ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছিলো যা ইনটেরিম সরকার পুরোপুরি অবজ্ঞা করে জুলাই সনদ ঘোষণা করেছে এবং পরবর্তীতে বিএনপি এই বিষয়ে তাদের ক্ষোভের কথাও বলেছে ও প্রচার করেছে। এমতাবস্থায় বর্তমান সংসদ তা বাতিল করবে বলেই মনে করা যায়।
এদিকে ১৩২ টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করতে হলে সরকারকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চারটি করে আইন পাশ করতে হবে যা অসম্ভব একটি বিষয়। এইসব অধ্যাদেশের প্রায় সবগুলোই বিতর্কিত ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। যেমন- বিচারিক আদালত সংক্রান্ত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের কাঠামো পরিবর্তন সংক্রান্ত, জুলাই জঙ্গিদের দায়মুক্তিসহ বেশিরভাগ অধ্যাদেশই ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইনেরই অংশ। নিজেকে রক্ষা করার বদকৌশলের পরিণামই হলো এইসব সনদ ও অধ্যাদেশ। কিন্তু এইসব কুট কৌশল ইউনুস গংকে আইনের হাত থেকে কোনোভাবেই বাঁচাতে পারবে না।
ত্রিশ লক্ষাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এদেশের পবিত্র সংবিধান কখনওই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির দুর্গন্ধে অপবিত্র হতে পারে না।





