বিধানসভা নির্বাচনে একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছেন না তামিলনাড়ুর থালাপতি বিজয়। তার দল টিভিকে এবারের নির্বাচনে ১০৮টি আসন পেয়েছে। কিন্তু সরকার গঠনে প্রয়োজন ১১৮ আসন।
এমন অবস্থায় ভারতীয় কংগ্রেস তাকে সমর্থন জানায়। ফলে বিজয়ের দল টিভিকের ঝুড়িতে আরও পাঁচটি আসন যোগ হয়। এতে আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৩তে। কিন্তু যেহেতু বিজয় দুটি আসনে জয় লাভ করেছেন, তাই তাকে একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। এতে মোট আসনের সংখ্যা দাঁড়াবে ১১২তে। ফলে সরকার গঠনের জন্য তাদের আরও ছয়টি আসন প্রয়োজন।
এমন অবস্থাতেই আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) চেন্নাইয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের দেখা করেছেন থালাপতি বিজয়। কিন্তু ১১৮ জনের সমর্থন যোগাড় করতে না পারায় তাকে আজও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরআগে গতকালও খালি হাতে ফেরত পাঠানো হয় তাকে।
তামিলনাড়ুর আরেক দল ভিসিকের প্রধান থোল. থ্রিরুমাভালাভান দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তাদের দল বিজেপি তামিলনাড়ুতে হস্তক্ষেপ করছে। আর তাদের হস্তক্ষেপের কারণে রাজ্যপাল থালাপতি বিজয়কে সরকার গঠন করতে দিচ্ছে না।
তিনি জানিয়েছেন, বিজয়ের দলের থেকে তারা সরকারে যোগ দেওয়ার চিঠি পেয়েছেন। এ বিষয়টি সম্পর্কে তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ রাজনীতিবিদ আরও বলেছেন, থালাপতি বিজয়কে এখন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত এবং তিনি পরবর্তীতে সংসদে তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিজেপির হস্তক্ষেপে এটি করতে দিচ্ছেন না।
তিনি বলেছেন, “এখন বিজেপি, মোদি ও অমিত শাহ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ এবং সবার মধ্যে কনফিউশন তৈরি করছেন। বিজয়ের টিভিকে-কে একক দল হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন এখানকার জনগণ। তাই তাদের ক্ষমতা নিতে দেওয়া উচিত।”
তিনি আরও বলেছেন, “সংবিধানে বলাই আছে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল সরকার গঠন করবে। বিজয় যখন সমর্থন চাইছেন তখন রাজ্যপাল কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না এবং সেখানে কনফিউশন তৈরি করছেন। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এর পাশাপাশি রাজ্যপাল টিভিকে-কে কতজন সমর্থন করছে সেটি দেখানোর তালিকা চাইতে পারেন না। তিনি বলতে পারেন না, ‘আপনাদের কারা সমর্থন করছে। ১১৮ জনকে আমার কাছে আনুন এবং এরপর শপথ অনুষ্ঠানের জন্য আসুন।”
সূত্র: দ্য হিন্দু।





