আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ বন্ধ করা হয় নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0
1

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি। শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে প্র্যাকটিস করতে পারবে। তাদের আরও হাসপাতাল আছে, সেখানে নিতে পারে। অমানবিক সেবার কারণে আমরা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সোমবার (১৫ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আমরা নিশ্চিত করতে চাই। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কেউ খারাপ কিছু করলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। হাম পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, হামের টিকাদানে শতভাগ স্বার্থক। পুরো দেশে শতভাগের বেশি টার্গেট আমরা অর্জন করেছি। টিকাদান আমরা থামিয়ে দেইনি। ঈদের আগে থেকে প্রতিদিন আমরা ডেকে ডেকে টিকা দিয়েছি, মাইকিংও করা হয়েছে। ইপিআই কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, এখনও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। হাম একেবারে শেষ হবে না, গত পরশু দিন ৭০০ ছিল, আবার গতকাল ১ হাজারে উঠেছে। অনেক সময় জ্বর হলে হামে আক্রান্ত হয়। পরীক্ষিত সন্দেহজনক মৃত্যু আসছে ৫, ৪, ৩ জন। হামে মৃত্যু গত সপ্তাহ ধরে শূন্য রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বলবো না হামে মারা যাচ্ছে না, দুই একজন মারা যাচ্ছে। গত ২০ তারিখে যে টিকাটা দেওয়া হয়েছে, অ্যান্টিবডি তৈরি হতেও এক মাস সময় লাগে। হামে মৃত্যু যেভাবে শুরু হয়েছিল আমরা যদি সফল না হতাম এবং টিকা না দিতাম, ডাক্তার-নার্সরা সেবা না দিতেন এবং যন্ত্রপাতি না দিতাম তাহলে অনেক খারাপ অবস্থা হয়ে যেত।

আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাক একটি আসক্তি এটা জানতে কারো ভুল নাই। যারা ধূমপান করেন, তারাই বড় সাক্ষী হতে পারেন এটা কত খারাপ। তামাক মানুষের ঘুম নষ্ট করে, ক্ষুধা কমিয়ে দেয়, ওজন কমিয়ে দেয়। সেইসঙ্গে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ নাই যেটা আক্রান্ত করে না। তামাক খেলে গালে, দাঁতে ক্যানসার হয়। তামাক থেকে এখন সমাজ নেশাতে চলে যাচ্ছে। আইনের ফাঁকে অপরাধীরা বের হয়ে যাচ্ছে, আইন আরও শক্ত করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here