টানা ঊর্ধ্বগতির পর বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। আগের সেশনে ২ শতাংশের বেশি বাড়ার পর এদিন মূল্য নিম্নমুখী হয়। খবর রয়টার্সের।
কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বুধবার গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৬ শতাংশ কমে ৪,০২৮.১৩ মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারের দাম ০.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,০৩৩.৯০ মার্কিন ডলারে নেমে আসে।
এদিকে বাংলাদেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, বুধবার (১৫ জুলাই) সারা দেশে সেই নতুন দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছিল, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দাম কমে যাওয়ায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয় এবং মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে তা কার্যকর হয়েছে।
নতুন দামে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।



