
নভেরা
মানিক বৈরাগী
মানুষের অভিজ্ঞতাই মানুষ কে করেছে
অকৃতজ্ঞ কৃতঘ্ন স্বার্থপর
মানুষের জীবনাচরণ ই মানুষ কে শিখিয়েছে
খুন ধর্ষণ নিপিড়ন
মানুষ পারেনা এমন কিছুই নাই
প্রকৃতি ভোগ দখল উজাড় ধ্বংস
সব মানুষেই পারে
মানুষ মানুষকেই কামড়ায় খোঁচাই
মানুষের কাছে অন্য প্রাণী ও নিরাপদ নয়
মানুষ মানুষের কাছে ও অনিরাপদ
তবুও আমি মানুষের কথা বলি
তবুও আমি মানুষ কে একেছি
তবুও আমি মানুষের গঠন গড়েছি
তবুও আমি মানুষ নিয়েই চলেছি
অ মানুষ আমাকে মুক্তি দাও
অ মানুষ আমাকে মুক্তি দাও
মুক্তি দাও মুক্তি চাই
আমাকে আমার মতো থাকতে দাও
মানুষ আমাকে তাড়িত করেছে
মানুষ আমাকে প্রতারিত করেছে
মানুষ আমার কৃতিত্ব চুরি করেছে
কেউ বুঝেনি আমারে,মানুষ আমাকে চেয়েছে, তার ইচ্ছার পুতুলের মতো
আমি নিরব দ্রোহ করেছি, হয়েছি নির্বাসিতা।
একদিন খুব বেদনার নীলে নীলাক্ততায়
কে যেনো কাছে এসে বুকে বুক ঘষালো
জোনাকির আলোয়,দেখিনি তার মুখ চোখ
শুধু শ্বাস প্রশ্বাসে ঠোট, চার জোড়া ঠোট
পরস্পর পরম্পরা, বুকে বুক নাকে নাক
গভির কালো চুল উর্ধমুখি কুন্তল
কপোলে দেবির আলপনা
গ্রীবায় কালো মুক্তোর মালা
ধপধপে সাধা পরির মুখ
দু:খ মোড়ানো জামা
স্বপ্ন জড়ানো বেঘোর ঘুমের গোঙানিতে
চিৎকারে বলি ইউরেখা ইউরেখ
ভাস্কর জননী নভেরা
আমাদের নভেরা আহমদ।