অবশেষে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চতুর্থ ও শেষ বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ (বিজি-৫০০৪) ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে পৌঁছায়। বাংলাদেশ বিমানের বহরে চতুর্থ বোইং ৭৮৭/৮ ড্রিমলাইনার যুক্ত হয়েছে। এটি জাতীয় পতাকাবাহী ১৬তম বিমান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন আজ মঙ্গলবার বিকালে বিকাল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) ভিভিআইপি টারমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সংগৃহীত জাতীয় পতাকাবাহী বিমান ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন তিনি।
এর আগে রাডারের কারিগরি ত্রুটি সারানোর পর বিমানের কাছে রাজহংসকে হস্তান্তর করে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং। আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানকে রাজহংসের ছাড়পত্রসহ চাবি বুঝিয়ে দেয় সংস্থাটি।
বিমানের পক্ষে পরিচালক (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিক সাপোর্ট) মো. মমিনুল ইসলামের হাতে রাজহংসের মালিকানা হস্তান্তরসহ চাবি বুঝিয়ে দেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের পরিচালক (ডেলিভারি কন্টাক্ট) জন বর্বার।
এ সময় বিমানের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মোহাম্মদ ইনামুল বারী, পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ বিমান ও বোয়িং সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। ইতিমধ্যে চারটি নতুন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দুটি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিমানবহরে যুক্ত হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হতে যাওয়া চারটি ড্রিমলাইনারের নাম পছন্দ ও বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এগুলো হলো- আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস। এর আগে ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, ২টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ইআরের নামও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া যথা- পালকী, অরুণ আলো, আকাশ প্রদীপ, রাঙা প্রভাত, মেঘদূত ও ময়ূরপঙ্খী।









