বল-ব্যাট দুটোতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যান সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক হিসেবে যতটা দায়িত্ব নেয়া প্রয়োজন, পুরোটাই নিলেন নিজের কাঁধে। আর তার ফলেই আজ বাংলাদেশ জয়ের আনন্দে ভাসছে। ভারতের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এই ত্রিদেশীয় সিরিজেও প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে কালকে বিজয়ের মাধ্যমে লিগ পর্ব শেষে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকল সাকিব আল হাসানের দল। এই পর্বে চার ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে তিনটিতে, হেরেছে একটিতে।
এদিন চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে আফগানিস্তানের দেয়া ১৩৯ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে এক ওভার বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে অধিনায়ক সাকিব ওয়ানডাউনে নেমে ৪৫ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১২ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন। ২৬ রান করেন মুশফিক। আফগান বোলারদের মধ্যে রশীদ খান ২টি, করিম জানাত ১টি, নাভিন-উল-হক ২টি ও মুজিব উর রহমান ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বিদায় নেন দুই ওপেনার। দলীয় ৯ রানে মুজিব উর রহমানের বলে আসগার আফগানের হাতে ক্যাচ হন লিটন দাস। ১০ বলে তার সংগ্রহ ৪ রান। দলীয় ১২ রানে নাভিন-উল-হকের বলে রশীদের হাতে ক্যাচ হন অপর ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। তার সংগ্রহ ৫ রান।
এরপর সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে লড়ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৮ রানের জুটি গড়ার পর বিদায় নেন মুশফিক। দলীয় ৭০ রানে জানাতের বলে শফিকুল্লাহর হাতে ক্যাচ হন তিনি। ২৫ বল খেলে ২৬ রান করেন মুশফিক।
মুশফিকের বিদায়ের পর সাকিবের সঙ্গে জুটি গড়েন রিয়াদ। দলীয় ৯৩ রানে রশীদের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। দলীয় ৯৬ রানে নাভিনের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ হন সাব্বির। তারপর আফিফ নেমে ৪ বলে ২ রান করে ফিরে যান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। আফগানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন হযরতউল্লাহ জাজাই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ৩ ওভারে ৯ রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন আফিফ হোসেন। ২৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাকিব। এছাড়া সাইফউদ্দিন ১টি, শফিউল ১টি ও মোস্তাফিজ ১টি করে উইকেট শিকার করেন।









