টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর কলকাতার মাটিতে কখনো টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়নি বাংলাদেশের। ইডেনে ঐতিহাসিক ওই টেস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী।
ভারত এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এরই মধ্যে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের একজন মূখপাত্র আইএএনএসকে নিশ্চিত করেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, কলকাতার ইডেন গার্ডেনে প্রতিবেশি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দর্শক হিসেবে পাওয়া যাবে। সিটি অব জয় খ্যাত কলকাতা টেস্টে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন কি-না সেটাও দ্রুতই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।
বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। বোর্ডের প্রধান হওয়ার জন্য কেবল তিনিই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। আগামী ২৩ অক্টোবর বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন হবে। সৌরভ গাঙ্গুলির তাই বিসিসিআইয়ের সভাপতি হওয়া শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। বোর্ড সভাপতি হলে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের আগেই দায়িত্ব বুঝে নেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সিরিজের প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর। তার আগেই অবশ্য টি-টুয়েন্টি সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। কলকাতার টেস্ট শুরু হবে ২২ নভেম্বর থেকে।
ভারতের গণমাধ্যম আনন্দ বাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওই টেস্ট দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন গাঙ্গুলী। এরই মধ্যে নাকি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমন্ত্রণ পত্র পৌঁছে গিয়েছে।
আনন্দ বাজারের আশা, বিসিসিআইয়ের সভাপতির আমন্ত্রণে সম্মতি দেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
গাঙ্গুলীর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম টেস্ট বাংলাদেশেই খেলেন তিনি। এছাড়া বিসিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গেও রয়েছে গাঙ্গুলীর দারুণ সম্পর্ক। গাঙ্গুলীকে বাংলাদেশ বান্ধবই মনে কারা হয়। বিসিবির আশা গাঙ্গুলী সভাপতি হওয়ায় বাংলাদেশ লাভবানই হবে।









