দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, অপপ্রচার চালিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী লবণের দাম বাড়ালে বাজার মনিটর করে তাদের জেল-জরিমানা করতে ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশে লবণের কোনো সংকট নেই জানিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয় ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন। বর্তমানে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের লবণ চাষিদের কাছে ৪ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং বিভিন্ন লবণ মিলের গুদামে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লবণ মজুদ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লবণের সংকট তৈরি করে বেশি মুনাফা লাভের আশায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল গুজব ছড়িয়ে লবণের দাম বাড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার অপচেষ্টা করছে।
পেঁয়াজের মতো লবণেরও দাম বাড়ছে—এই গুজবে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা দোকানে লবণ বিক্রির হিড়িক লেগেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শুক্রাবাদ এলাকার মুদির দোকানগুলোতে শত শত কেজি লবণ বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। বিক্রেতারা এ কথা স্বীকার করে বলছেন, আগের দামেই তারা লবণ বিক্রি করছেন। তবে হঠাৎ চাহিদা কেন বাড়লো, তা তারা জানেন না। আর ক্রেতারা বলছেন, শুনেছি পেঁয়াজের মতো লবণেরও দাম বেড়েছে। এ কারণে আগে আগেই কয়েক কেজি করে লবণ কিনে রাখছেন তারা।
বিসিকের কন্ট্রোল রুম থেকে আবুল খায়ের বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ গুজব। পেঁয়াজের দামের মধ্যে অসাধু ব্যবসায়ীরা এই গুজব রটিয়ে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে। আমাদের কোনও ঘাটতি নেই।
’এই গুজন নিয়ন্ত্রণে কী করণীয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাজারে যারা বলছেন লবণ নেই, তারা আমাদের নম্বরে কল করুন। তার কাছে লবণ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা যোগাযোগ করিয়ে দেবো। কেবল আমাদের জানান।’ ইতোমধ্যে লবণের মজুতের পরিমাণসহ জেলা প্রশাসকদের কাছে বিসিক চিঠি পাঠিয়েছে বলে জানান তিনি।









