বিভিন্ন জেলায় বাস বন্ধ, যাত্রীদের দুর্ভোগ

0
269

নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নের প্রতিবাদে তৃতীয় দিনের মত দেশের বিভিন্ন জেলার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী। তারা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নছিমন, করিমন ও ইজিবাইক যোগে গন্তব্য স্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডে নতুন সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। ধর্মঘটে বন্ধ রয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের সকল যান চলাচল। এর ফলে এসব রুটে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এদিকে আজ বুধবারও (২০ নভেম্বর) রাজধানীর সড়কগুলোতে গত কয়েকদিনের তুলনায় গণপরিবহনের সংখ্যা কম দেখা গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে রাজধানীবাসী। বাস না পেয়ে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদেরকে। অনেকে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও নারীরা।

গত সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট বুধবার তৃতীয় দিনের মত অব্যহত রয়েছে। পরিবহন শ্রমিক নেতাদের দাবি- আইন সংশোধনের পর এটি বাস্তবায়ন করা হোক। এটা না করা পর্যন্ত তাদের এ ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

সাতক্ষীরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ জানান, নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নের প্রতিবাদে শ্রমিকরা বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। তারা চান, আগে এটি সংশোধন করা হোক। এরপর এটি বাস্তবায়ন করা হোক।

বুধবার সকালে বাসস্টান্ডে গিয়ে দেখা গেছে ঝালকাঠি-বরিশাল, ঝালকাঠি-ঢাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার আট রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ঝালকাঠি থেকে বরিশাল, বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে খুলনা, বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে পিরোজপুর, বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে ভান্ডারিয়া, বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে মঠবাড়িয়া, বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে পাথরঘাটা, ঝালকাঠি-আমুয়া, ও ঝালকাঠি-ঢাকার বাস  চলাচল বন্ধ রয়েছে।

দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে বিকল্প পরিবহনে যাত্রা করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here