মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দেশটির সাধারণ নির্বাচনে জয় দাবি করেছে। গতকাল সোমবার দলটির মুখপাত্র এই দাবি করেন। তবে সংঘাতকবলিত রাখাইন রাজ্যে হেরেছে দলটি। সেখানে ভালো ফল করেছে সংখ্যালঘু রাখাইনদের নিয়ে গঠিত রাজনৈতিক দল আরাকান ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি)।
গতকাল রোববার সাধারণ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে রাখাইনের বেশির ভাগ আসনে ভোট বাতিল করা হয়। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারলেও বিদেশে সুনামে ধস নেমেছে। আর সেই কারণে এবারের নির্বাচনকে সু চির জন্য গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একসময় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে খ্যাতি অর্জন করা সু চি রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েন। এর পরও মিয়ানমারের জনগণের মধ্যে সু চি এখনও জনপ্রিয়।
সম্প্রতি জরিপে দেখা গেছে, ৭৫ বছর বয়সী নোবেলজয়ী সু চিকে সবচেয়ে আস্থাভাজন রাজনীতিবিদ হিসেবে এখনও মনে করে দেশটির ৭৯ শতাংশ মানুষ।
মিয়ানমারে ৩ কোটি ৭০ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটার। তবে দেশটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবার ভোটদানের হার কম হতে পারে।
মিয়ানমারের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর প্রভাব প্রবল। সংবিধান অনুযায়ী, পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন সেনাসদস্যদের জন্য বরাদ্দ। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দেখভালও সেনাবাহিনী করে।









