দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের পক্ষ থেকে সম্মতিপত্র বা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট’ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন ও গতিশীল করার অংশ হিসেবে এ অনুমোদন দিয়েছে দিল্লি। এর মাধ্যমে নতুন হাইকমিশনারের নিয়োগ আটকে থাকা নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে।
পেশাদার কূটনীতিক আসাদ আলম সিয়াম দিল্লিতে বর্তমান হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন। রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জেনেভায় জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
বাসভাড়া বাড়ল দূরপাল্লা ও মহানগরে
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেওয়া আসাদ আলম সিয়াম গত বছরের জুনে পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।কর্মজীবনে তিনি অস্ট্রিয়া ও ফিলিপাইনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ইতালির মিলানে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল, যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনার এবং ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে কূটনীতিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রটোকল প্রধান, ইউরোপ ও ইইউ উইংয়ের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্র সচিবের দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত থেকে সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় নতুন দূত হিসেবে পাঠানোর পর বাংলাদেশও তাদের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে দিল্লিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়।
পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই পক্ষ সম্পর্ক মেরামতের উদ্যোগ নেয়। যদিও ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি ঢাকার জন্য একটি বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।









