সু চিকে নিয়ে নমনীয়তার বার্তা

0
2

এরপর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে হয়ে থাকা মিয়ানমারের ভাবমূর্তি ফেরাতে তিনি কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ৮১ বছর বয়সী সু চিকে নিয়ে এখনও উদ্বিগ্ন বিশ্ব সম্প্রদায়।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, নিজের শাসনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে তীব্র গৃহযুদ্ধ চললেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়াতালি দিতে সু চির বন্দিদশা শিথিলের সম্ভাবনাকে ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করছেন মিন অং।

গত আগস্টে থাইল্যান্ডে তার ঐতিহাসিক সফরের ঠিক কয়েক দিন আগে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে বিরল কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে সু চিকে রেড ক্রসের এক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায়।

টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিয়ানমারের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, সু চির ক্ষমার বিষয়টি ‘তার নিজের ওপরই নির্ভর করছে।’ তবে তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে পুনর্বিবেচনার মতো কোনো ক্ষেত্র তৈরি হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের কৌশলের অংশ হিসেবে গত এপ্রিলে মিন অং হ্লেইংয়ের নির্দেশে সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে রাজধানী নেপিদোর এক বাড়িতে গৃহবন্দি করা হয়।

গত ডিসেম্বর-জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে মিন অং হ্লেইং নিজের মসনদ পোক্ত করেন এবং ওই নির্বাচন তার সামরিক জান্তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ওই নির্বাচনে সু চির দলকে মাঠ থেকে সরিয়ে এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকরা তার এই নামমাত্র বেসামরিক প্রশাসনকে সামরিক বাহিনীর একটি ছায়া সরকার বলে অভিহিত করেছেন। মিন অং হ্লেইং বলেন, “গণতন্ত্রের তো নানারকম রূপ থাকে।”

তিনি বলেন, “মার্কিন গণতন্ত্র রয়েছে, আবার ইউরোপীয় গণতন্ত্রও রয়েছে। আমি এটি নিশ্চিত করব যেন মিয়ানমার এমন এক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পায়; যা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

সূত্র: এএফপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here