কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু

0
1

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বছরের শিশুসহ অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাতজন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ছয়জন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন তিনতলা কাঠের রিসোর্টটিতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটিতে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কক্সবাজারে এসেছিলেন পর্যটকেরা। তাঁদের আনন্দঘন ছুটি মুহূর্তেই পরিণত হয় ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে। আগুনে পুড়ে মরদেহগুলো বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

শনিবার বিকেল ৩টার দিকে রিসোর্টের ভেতর থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আহতদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে নিহতদের সবাই পর্যটক, নাকি তাঁদের মধ্যে রিসোর্টের কর্মচারীও রয়েছেন, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের সন্দেহ

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, রিসোর্টের নিচতলায় থাকা রেস্টুরেন্টের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখানে বড় আকারের এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। আগুন লাগার পর বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দ্রুত পুরো স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

তিনতলা কাঠের ভবনটির নিচতলায় ছিল রেস্টুরেন্ট, আর ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা। রিসোর্টে প্রবেশ ও বের হওয়ার প্রধান পথ ছিল রেস্টুরেন্টের মাঝ দিয়ে। ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর ভেতরে থাকা অনেকের বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় সংবাদকর্মী শামীমুল ইসলাম ফয়সাল জানান, ভোরে হঠাৎ রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।

আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করে। উদ্ধার অভিযানে বিজিবি ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর ভেতরে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। ফায়ার সার্ভিস জানায়, নিকটতম ফায়ার স্টেশন থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ছিল প্রায় ২২ কিলোমিটার।

তবে আগুনের সূত্রপাত বা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি ফায়ার সার্ভিস। সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নির্ধারণ করা সঠিক হবে না। বিস্তারিত তদন্তের পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও চলছিল রিসোর্ট

অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অনুমোদন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানিয়েছেন, রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা ছাড়পত্র ছিল না।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, গত জুনে পরিদর্শন করে রিসোর্টটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ বিষয়ে সতর্ক করে নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। এরপরও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালু ছিল।

মহাপরিচালক বলেন, রিসোর্টটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি অনেক রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নোটিশ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টটি প্রশাসনের প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলছিল। সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা করে বাণিজ্য পরিচালনা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হওয়ায় প্রশাসন আগবাড়িয়ে খোঁজ নেয়নি। মালিকদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহাব উদ্দিন জানান, চট্টগ্রামের আমিরাবাদের নিয়াজ মোহাম্মদ ও বোয়ালখালীর তানভীর আহমেদ যৌথভাবে ২০ শতক জমি কিনে রেস্টুরেন্টটি প্রতিষ্ঠা করেন। রেস্টুরেন্ট পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া হলেও আবাসিক রিসোর্ট হিসেবে পরিচালনার জন্য পৃথক অনুমতি বা ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া হয়নি।

রেস্টুরেন্টের পাশে চারটি কক্ষ তৈরি করে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এসব কক্ষে দলগতভাবে ১২ থেকে ১৬ জন থাকতে পারতেন। শুক্রবার রাতে সেখানে ১৭ থেকে ১৮ জন পর্যটক ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রেস্টুরেন্ট ও রিসোর্টে ১২ থেকে ১৪ জন কর্মচারী কাজ করতেন, যাঁদের কেউ কেউ সেখানেই থাকতেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, নিহতদের মধ্যে কতজন পর্যটক এবং কতজন কর্মচারী, তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে। অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

একই পরিবারের ছয়জন নিহত

অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরিবারের নয়জন সদস্য কক্সবাজার বেড়াতে এসে রিসোর্টটিতে উঠেছিলেন।

নিহতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মেলিতা মেহজাবিন আলভীর নাম পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পরিবারের সদস্য মালিহা, সাবরিন ও পাঁচ বছর বয়সী ফায়জান আহমেদের নামও বিভিন্ন সূত্রে এসেছে।

সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নাফিজ তেহামী, নাবিলা, মালিহা ও আলভী পরস্পরের কাজিন। ফারিহা কবির নাফিজের বড় বোন এবং ফায়জান তাঁর ভাগ্নে বলে জানা গেছে।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ তাঁর পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

এ ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। গুরুতর আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মেলিতা মেহজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম এবং চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) ও শিশু ফায়জান আহমেদের নাম পাওয়া যায়। তবে বিভিন্ন সূত্রে নাম ও বয়সের তথ্যে কিছু অসংগতি রয়েছে। সব মরদেহের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার কাজ চলছিল।

বান্ধবী নিখোঁজ, নালায় লাফ দিয়ে বাঁচলেন দম্পতি

ঢাকার সাভার থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন আইরিন জাহান মিম। শুক্রবার তাঁরা টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন। শনিবার ভোরে মিম ও তাঁর এক বান্ধবী সৈকতে বেড়াতে গেলেও তাঁদের আরেক বান্ধবী নাসরিন আক্তার মুক্তা কক্ষেই ছিলেন।

মিম বলেন, সৈকতে থাকা অবস্থায় তাঁরা হঠাৎ রিসোর্টে আগুন দেখতে পান। বিকট বিস্ফোরণের পর আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে মুক্তার কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না তাঁরা।

মুক্তা সাভারের একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। তাঁর বাবা-মা মো. মোস্তফা কামাল ও নাছিমা আক্তার এবং স্বামী খবর পেয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানান মিম।

অন্যদিকে, ঢাকার মিরপুর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে উঠেছিলেন আবদুল মান্নান। শুক্রবার সেখানে পৌঁছে তাঁদের আরও দুই দিন থাকার পরিকল্পনা ছিল। আগুন থেকে বাঁচতে নালায় লাফ দিয়ে তাঁরা প্রাণে রক্ষা পান বলে জানা গেছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক নারীকে ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও’ বলে আহাজারি করতে দেখা যায়। সাইফ ওই নারীর কে হন এবং তিনি বেঁচে আছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

তদন্ত চলছে

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান জানান, অগ্নিকাণ্ডে আহত সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে ঢাকার পশ্চিম রামপুরার শিহাব সাদি (৩১) ও তাঁর স্ত্রী নাফিজা (২৯), মিরপুরের আবদুল মান্নান (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী ফাহমিদা (৩২), উত্তরা এলাকার মুহাম্মদ মাসুদ (৩৩) ও তাঁর স্ত্রী মেহেরুন্নেসা রোমি (৩০) এবং ঢাকার আশিক (২৮) রয়েছেন। আহতদের নাম ও বয়সের বিষয়ে বিভিন্ন সূত্রে কিছু পার্থক্য পাওয়া গেছে।

উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ছয়জন নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের সন্ধানে অভিযান চলছিল। উদ্ধার করা মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি রিসোর্টটির অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সরু রাস্তা ও ভবনগুলোর মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব না থাকায় অগ্নিনির্বাপণ কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের এলাকায় দ্রুত পৌঁছাতে বিশেষ তিন চাকার যান ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলে হোস পাইপ নিয়ে গিয়ে আশপাশের ভবনের পানির রিজার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে আগুন নেভানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কী কারণে এত প্রাণহানি ঘটল, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে, কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে উখিয়া পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here