ফ্রান্স এখন বাংলাদেশের মতো হয়েছে!তার কারণ কি?

0
178

পুরো ফ্রান্স জুড়ে অন্তত ৩১ হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমেছে বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়। এর মধ্যে প্যারিসের রাস্তায় ৮ হাজারের মত।

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড ফিলিপ বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।এর আগে শুক্রবার সহিংসতা এড়াতে দেশটির পক্ষ থেকে আইফেল টাওয়ার বন্ধ করার ঘোষণা করে।

জ্বালানির কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে ১৭ নভেম্বর থেকে চলছে ‘ইয়েলো ভেস্টস’ আন্দোলন। এই আন্দোলন ফ্রান্সের ইতিহাসে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড়।বিক্ষোভকারীদের হটাতে দেশটি কমপক্ষে ৯০ হাজার সৈন্যকে রাস্তায় নামিয়েছে।

বন্ধ ঘোষণা করেছে স্কুল, কলেজ, দোকান-পাট ও বিভিন্ন অফিস আদালত।বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও গুলি চালানো হচ্ছে বলে আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে।পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে হাতুড়ি ও বেসবল ব্যাট পাওয়া গেছে।

দেশটির পুলিশের এক মুখপাত্র জানায়, প্যারিসের এক রাস্তায় ১৫’শ এর মত বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড ফিলিপ বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।এর আগে গতকাল সহিংসতা এড়াতে দেশটির পক্ষ থেকে আইফেল টাওয়ার বন্ধ করার ঘোষণা করে।

আরো জানুন…

ফ্রান্সের জেল থেকে হেলিকপ্টারে যেভাবে পালালো দুর্ধর্ষ অপরাধী

প্যারিসের সুরক্ষিত একটি জেলখানা থেকে দুর্ধর্ষ ফরাসী অপরাধী রেদোয়ান ফেইদ হেলিকপ্টার দিয়ে গত সপ্তাহে কীভাবে পালিয়ে যেতে পারলেন সেটা নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনার মধ্যে ফ্রান্সের পুলিশ বলছে, ফেইদের চার থেকে পাঁচজন ঘনিষ্ট ও বিশ্বস্ত বন্ধুর কারণে এটা সম্ভব হয়েছে।

হেলিকপ্টারের পাইলট স্টেফানি বে ফরাসী সংবাদ মাধ্যম আর টি এলকে বলেছেন, এর আগেও তাদের সাথে তার একবার কি দুবার দেখা হয়েছিল। কিন্তু রোববার তার মনে হয়েছে যে তারা তার ও বিমান সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু জানে, তারা তার কাছে বিশেষ একটি হেলিকপ্টার চেয়েছিলেন।

তিনি তাদেরকে ওই হেলিপ্টার দিতে অস্বীকৃতি জানান। তাদেরকে বলেন, নতুন যারা শিখছে তাদের জন্যে সেটা উপযোগী নয়। কিন্তু তারপর তাকে ও তার পরিবারকে জিম্মি করা হয়, বলেন তিনি।

পরে ওই হেলিকপ্টারটি নিয়ে যাওয়া হয় একটি মাঠের দিকে। সেখান থেকে তোলা হয় তৃতীয় সহযোগীকে। বন্দুকের মুখে তাকে এসব করতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে তিনি জানান।

সুদ-ফ্রাসিলিয়েন কারাগারের পরিদর্শন কক্ষে ছিলেন ফেইদ, যখন হেলিকপ্টারটি সেখানে অবতরণ করে। ফেইদের সাথে তার ভাইও ছিল।

তারপর রেদোঢান ফেইদকে হেলিকপ্টারে তুলে তারা উড়ে যায় আকাশে। এক সময় চলে যায় গনেসে এলাকার দিকে। সেখানে তাদের জন্যে অপেক্ষা করছিল একটা গাড়ি। হেলিকপ্টারটিকে ফেলে তারা সেখান থেকে ওই গাড়িতে বরে পালিয়ে যায়।

পরে ওই হেলিপ্টারটিকে পুলিশ খুঁজে পায় অগ্নিদগ্ধ অবস্থায়। তারা যে শাদা গাড়িতে করে পালিয়ে গিয়েছিল পুলিশ সেই গাড়িটিকেও পরে প্যারিসের উত্তরে পুড়ে যাওয়া অবস্থায় খুঁজে পায়।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ধারণা করছেন এরকম একটি অপারেশনের আগে ফেইদের সহযোগীরা ড্রোনের সাহায্যে জেলখানার উপর থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে।

রেদোয়ান ফেইদ প্রথম কোন অপরাধী নন যিনি হেলিকপ্টারে করে জেল থেকে পালিয়েছেন। আর আগে সাজাপ্রাপ্ত খুনী প্যাসকাল পায়েতও দুবার এই একই পদ্ধতিতে কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here