দেশইনফো প্রতিবেদন: মুম্বাই কারাগারে পৌঁছেছে রিয়া চক্রবর্তীকে বহনকারী ভ্যান। ঘটনার শুরু ভারতের উদীয়মান অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনা দিয়ে। জুন মাসের ১৪ তারিখে নিজ ঘর থেকেই অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার করেন বান্দ্রা পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যেই সুশান্তের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা দেয় পুলিশ।
কিন্তু পুলিশের এর ঘোষণা কোনভাবেই মেনে নিতে চাইছিলেন না সুশান্তের ভক্তরা। দেশজুড়েই এটিকে হত্যা দাবী করে সিবিআই তদন্তের দাবীতে উত্তাল হয়ে উঠে দেশ। পরে সুশান্তের পিতা বিহার থানায় আত্মহত্যায় উস্কানী, অর্থ আত্মসাৎসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনে সুশান্তের লিভিং পার্টনার রিয়া চক্রবর্তীসহ আরো কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা তদন্তে বিহার পুলিশ মুম্বাই আসলে তাদের কোনও সহায়তা করতে নারাজী জানিয়ে দেন মুম্বাই পুলিশ।
পরিস্থিতি এমন হয়ে যায় যে এখতিয়ার নির্ধারণে সুপ্রীম কোর্টের স্মরনাপন্ন হন বিহার ও মুম্বাই পুলিশ। সিবিআইকে সুশান্ত সিং রাজপুত মামলার সব দায়িত্ব দেন সুপ্রীম কোর্ট। সিবিআই দায়িত্ব নেয়ার
এরও আগে সুশান্ত সিং রাজপুতের লিভিং পার্টনার রিয়া চক্রবর্তীর রহস্যময়ী আচরনের উপর ব্যাপক প্রশ্ন তোলেন সুশান্ত ভক্তরা। রহস্যময় আচরণের জন্ড প্রশ্ন ওঠে সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পাঠানী, সন্দীপ সিং, ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডা, কুক নীরজ আর দীপেশের বিরুদ্ধেও। ডিলেট করে দেয়া রিয়ার হোয়াটস এ্যাপস চ্যাট উদ্ধার করে মাদকের প্রমাণ পান সিবিআই।
তারা এনসিবি (নারকোটিক কর্পোরেশন ব্যুরো) এর কাছে বিষয়টির বৃহত্তর তদন্ত দাবি করে। তদন্তে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার প্রমান পাওয়ায় রিয়া চক্রবর্তীকে আজ ১৪ দিনের কারাগারে পাঠিয়ে দেন এনসিবি কর্মকর্তারা।



