পিটার বাটলারের অধীনে অনুশীলন করবেন না সাবিনাসহ ১৮ ফুটবলার। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) তাদের রাজি করাতে পারেনি। সেই ডামাডোলের মাঝেই নতুন করে কেন্দ্রীয় চুক্তির ব্যাপারটি চূড়ান্ত করেছে বাফুফে। সেখানে সবাইকে আনতে চাইলেও এখন পর্যন্ত বিদ্রোহী ফুটবলাররা সায় দেননি। তবে সাবিনারা রাজি না হলেও ক্যাম্পে থাকা অন্য ৩৬ ফুটবলার সোমবার ঠিকই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে চলে এসেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরও করেছেন আফঈদা-আকলিমারা। বাফুফে সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কেন্দ্রীয় চুক্তি বলতে বহু দিনের আলোচিত মাসিক বেতনের আওতায় চলে এসেছেন নারী ফুটবলাররা। জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এটা কার্যকর হচ্ছে। এতে আপাতত পরিষ্কার যে আরব আমিরাতের বিপক্ষে সাবিনারা কেউ থাকছেন না। নতুনদের নিয়ে খেলতে হবে পিটার বাটলারকে।
সাবিনারাও এটা অবগত, অন্য খেলোয়াড়রা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তবে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। আগের মতো বাটলার বয়কট মিশনে অটল আছেন তারা।
যদিও তাদের পথ এখনও বাফুফে খোলা রেখেছে। সাবিনাদের জন্য অপেক্ষা করবে ফুটবল ফেডারেশন। সব মিলিয়ে ৫৫ জন ফুটবলারকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আনতে চায় তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিটি।
আগে সাবিনাদের সঙ্গে সভায় সব রকমের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। অথচ ২৩ সদস্যের দলে থাকার আশ্বাস পেয়েও সাবিনারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে এক বিন্দু সরেনি। এ নিয়ে বাফুফের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সোমবার খেলোয়াড়দের একটি অংশের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদের সঙ্গে আমরা তো কম চেষ্টা করে যাচ্ছি না। তাদের অনেক আশ্বাস দিয়েছি। তারপরও ওরা সাড়া দিচ্ছে না। এখনও আশায় আছি, হয়তো একসময় ওরা সাড়া দেবে। আমরা চাই ওরা ফিরে আসুক। ’





