গতবার সেমিফাইনালে ইন্টার মিলানের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিয়েছিল বার্সেলোনা। এবার তাদের থামতে হলো কোয়ার্টার ফাইনালেই। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে দ্বিতীয় লেগ ২-১ গোলে জিতলেও লাভ হয়নি। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে হেরে ইউরোপ বিজয়ের স্বপ্ন শেষ কাতালানদের। অন্যদিকে ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল অ্যাটলেটিকো। ভিএআরে গোল বাতিলসহ নানা নাটকীয়তার এই ম্যাচে বিদায় নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ পুরো বার্সা শিবির।
ম্যাচের পর বার্সা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক চরম হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা হতাশ। প্রথমার্ধে আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। তৃতীয় গোলটি করার দারুণ সুযোগ ছিল আমাদের। কিন্তু উল্টো শেষ পর্যন্ত আমরাই গোল হজম করলাম।’
দ্বিতীয়ার্ধে গাভির শট থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেছিলেন ফেরান তোরেস। তবে ভিএআরে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। গোল বাতিলের সিদ্ধান্তই কি ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে? এমন প্রশ্নে ফ্লিক বলেন, ‘আমরা একজন কম নিয়েও দুর্দান্ত একটি ম্যাচ খেলেছি। আমি এর জন্য সত্যিই কৃতজ্ঞ। তবে আমরা খুব একটা ভাগ্যবান ছিলাম না। পরিস্থিতি এমনই ছিল এবং আমাদের তা মেনে নিতে হবে।’
ফ্লিকের মতে, সেমিফাইনালে খেলার যোগ্য দল ছিল বার্সেলোনা। জার্মান এই কোচ বলেন, ‘ফুটবল এমনই। মানসিকতা ও মনোভাবের দিক থেকে দল তাদের সর্বস্ব দিয়েছে। তারা দুর্দান্ত কাজ করেছে, কিন্তু আমরা সফল হতে পারিনি। আমার মনে হয়, সেমিফাইনালে আমাদের থাকা উচিত ছিল। তবে আমরা দারুণ খেলেছি এবং আমি খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত।’
ম্যাচটিতে রেফারিং নিয়ে বেশ বিতর্ক হলেও এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ ফ্লিক। তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না, কারণ আমরা এটা পরিবর্তন করতে পারব না। আমাদের এটা মেনে নিতে হবে।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ায় ফ্লিকের এখন মূল ফোকাস ঘরোয়া লিগে। তিনি বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাটা একটা স্বপ্ন ছিল, তাই সবাই হতাশ। তবে আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো লিগ জেতা এবং আমরা সেই পথেই আছি। আমরা একটি তরুণ দল, উন্নতির অনেক সুযোগ আছে। আগামী মৌসুমে আমরা তা করব।’





