পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ চলছে আজ বুধবার। এ দফায় রাজ্যের সাতটি জেলার মোট ১৪২টি আসনে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ১ হাজার ৪৪৮ জন, এর মধ্যে নারী প্রার্থী ২২০ জন। ভোটার সংখ্যা ৩ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৩৭ জন। সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এই দফায় ভোট হচ্ছে নদিয়া (১৭), উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১), কলকাতা (১১), হাওড়া (১৬), হুগলি (১৮) ও পূর্ব বর্ধমান (১৬) জেলার আসনগুলোতে।
নির্বাচন পরিচালনায় মোট ৪১ হাজার একটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৩০১টি প্রধান বুথ এবং প্রায় ১ হাজার ৭০০টি সহায়ক বুথ রয়েছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট, আইএসএফসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে অধিকাংশ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে।
গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, রূপা গাঙ্গুলী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরন্ময় চ্যাটার্জি, পাপিয়া অধিকারী, কলতান দাশগুপ্ত, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দিপ্সিতা ধরসহ আরও অনেকে। ভাঙ্গড় আসনে আইএসএফ প্রার্থী পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকীর দিকেও নজর রয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে ২ হাজার ৩৪৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ৩৮ হাজার ২৯৭ জন রাজ্য পুলিশ। নিউটাউনে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। এছাড়া গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন দাগি অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে এই ১৪২ আসনের মধ্যে ১২৩টিতে জয় পায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি পায় ১৮টি এবং আইএসএফ একটি আসনে জয়ী হয়। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছিল।
আগামী ৪ মে ভোট গণনার মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। একই দিনে ভারতের আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির নির্বাচনের ফলও প্রকাশ করা হবে।




