হিজড়া না সম্পূর্ণ রুপে পুরুষ হয় আর না মহিলা!!!

0
339

হিজড়াদের সম্পর্কে – হিজড়া না সম্পূর্ণ রুপে পুরুষ হয় আর না মহিলা । এমন একটা সম্প্রদায় যার বর্ণনা ধর্মগ্রন্থে আছে । তারা আপনার প্রত্যেক সুখে দুঃখে যোগদান করে।

যাদের প্রার্থনা খুব পবিত্র বলে মনে করা হয় এবং যাদের অভিশাপ ভয়ানক হয় । আপনার সাথে তাদের দৈনন্দিন দেখা হয়, তা আপনি লোকাল ট্রেনে হোন বা শহরের বাস স্টপেজে ।

আপনি সবাইকে টাকা দিতে অস্বীকার করতে পারেন, কিন্তু হিজড়াদের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত হয়।

হিজড়াদের একটি ভিন্ন জগৎ আছে যার ব্যাপারে কেউই বেশি কিছু জানে না। তাদের জীবনধারা স্বাভাবিক মানুষের থেকে বিপরীত। তাদের সম্পর্কে জানার কৌতূহল প্রত্যেক মানুষের মনে হয়।

আসুন আমরা আজকের সূত্রে পৌঁছানোর জন্য আপনার কৌতূহলের সারথী হয়ে উঠি। হিজড়াদের ব্যপারে আটটি এমন তথ্য শুনলে আপনি অবাক হয়ে উঠবেন।

জ্যোতিষ অনুসারে

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বীর্য বেশী হলে পুরুষ (পুত্র) জন্মগ্রহণ করে । রক্ত ​​বেশি হলে মহিলা (কন্যা) জন্মগ্রহণ করে ‌। যখন বীর্য এবং রক্ত সমান হয় তখন হিজড়ার জন্ম হয়। বলা হয় কুষ্টিতে বুধ, শনি, শুক্রে আর কেতু খারাপ হলে হিজড়া বা নপুংসক জন্ম হয়।

সমাজে কোন হিজড়া মারা গেলে তার খবর পর্যন্ত পাওয়া যায় না

কোন হিজড়া মারা গেলে তার শেষকৃত্য খুবই গোপনীয় ভাবে করা হয়।

নতুন হিজড়া দলে যুক্ত হলে নাচ-গান খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়

কোন ব্যক্তি হিজড়া সমাজে অংশগ্রহণ করলে তাকে অনেক রীতিনীতি মেনে যোগদান করানো হয়।

হিজড়ারা তাদের আরাধ্য দেবতা আরাবণকে বছরে একবার বিয়ে করে । অবশ্য এই বিয়ে শুধুমাত্র একদিনের জন্য হয়।

মহাভারতের প্রাচীন গ্রন্থে শিখন্ডিকে হিজড়া বলা হত

বলা হয় যে শিখন্ডীর কারণেই অর্জুন ভীষ্মকে যুদ্ধে পরাজিত করেছিল।

মহাভারতে যখন পাণ্ডবরা জঙ্গলে এক বছর অজ্ঞাতবাসে ছিলেন তখন অর্জুন একবছর ধরে হিজড়া বৃহন্নলা হয়ে ছিলেন ।

একটি তথ্য অনুযায়ী হিজড়াদের উৎপত্তি ব্রহ্মার ছায়া থেকে হয়েছিল ।

অন্যদিকে অনেকে এমনও মনে করেন যে, আরিষ্টা এবং কশ্যপ ঋষি থেকে হিজড়ার উৎপত্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here