যৌন উত্তেজক কথা বলায় শিক্ষককে ৪ মাসের জেল

0
323

জানা গেছে, ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন নতুন কুঁড়ি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম শ্রেণি কক্ষে ও স্কুলের বাহিরে সপ্তম শ্রেণির ৯জন ছাত্রীকে প্রায়ই বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত, কু-প্রস্তাব দিতেন। গত শনিবারও রোববার শ্রেণিকক্ষে ৯ ছাত্রীকে যৌন উত্তেজক কথাবার্তা বলেন। এতে ছাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠে।  উপায় না পেয়ে ওই নয় ছাত্রী লিখিত ভাবে বিষয়টি ধামরাই পৌরসভার মেয়র গোলাম কবিরকে জানান। গতকাল রোববার পৌর মেয়র ওই নয় ছাত্রী ও প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলামকে তার কার্যালয়ে ডেকে নেন। পরে সবার উপস্থিতিতে ছাত্রীরা শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্ত্যক্তের অভিযোগ তুলেন। এসময় শিক্ষক অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। পরে ধামরাইয়ের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নাহিদ হাসান উপস্থিত হয়ে ওই  ৯ ছাত্রী ও প্রধান শিক্ষকের জবানবন্দি নেন।

ঢাকার ধামরাইয়ে স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ও যৌন উত্তেজক কথা বলায় নতুন কুঁড়ি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলামকে  ৪ মাসের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। আজ সোমবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগরে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

এক পর্যায় প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম ওই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার কথা স্বীকার করলে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে চার মাসের জেলের রায় দেন। আজ সোমবার ওই শিক্ষকে কারাগরে পাঠান পুলিশ।

ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির জানান, স্কুলছাত্রী উত্ত্যক্তকারী সাইদুল ইসলাম শিক্ষক নামে কলঙ্ক। ভ্রাম্যমান আদালত তাকে চার মাসের কারাদন্ড দিয়ে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী উপজেলার সাপখাওয়া গ্রামে। তার বাবার নাম  রিয়াজ উদ্দিন। তিনি ধামরাই পৌর এলাকার আইঙ্গনে হালিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

আরো পড়ুনঃ
বাসর রাতেই গ্রেফতার আসামি! অত:পর

শনিবার রাতে তাকে নতুন স্ত্রীর পাশ থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, দাউদ জামায়াত কর্মী। তিনি নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।

বিয়ের একদিন পর মধুচন্দ্রিমার রাতে গ্রেফতার হলেন আবু দাউদ মুন্সি নামে এক কাপড় ব্যাবসায়ী। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের টেঙ্গর আলী মুন্সীর ছেলে।

স্থানীয় সাগান্না ইউনিয়নের মেম্বর আমিনুল ইসলাম জানান, চার মাস আগে আবু দাউদের প্রথম স্ত্রী মারা যান। এরপর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পরদিন গ্রেফতার হয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

দাউদের ছেলে একরামুল হক জানান, মায়ের মৃত্যুর পর সংসার দেখাশোনার জন্য তার পিতা গত শুক্রবার সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আসমা খাতুনকে বিয়ে করেন। ছেলের ভাষ্যমতে, তার পিতা জামায়াতের সমর্থক ছিলেন। পুরানো দুইটি মামলায় জামিনে আছেন।

নতুন করে কোন মামলা ছিল না। বিয়ের একদিন পর তার পিতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এতে তার নতুন মায়ের খুবই মন খারাপ হয়।

একরামুলের দুই ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। পিতার গ্রেফতারে তারাও ভেঙ্গে পড়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কনক কান্তি জানান, বিষয়টি যদিও সেনসেটিভ। তারপরও আমার অজানা। ঘটনার দিন আমাদের একাধিক টিম অভিযানে ছিল। কারা গ্রেফতার করেছে তা আমার জানা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here