জেলের বন্দিদের শারিরিক যৌন ও সুখের চাহিদা মিটাচ্ছে মহিলা কারারক্ষী!

0
1117

বন্দিজীবনে কঠোর এক নিয়মের বেড়াজাল। শাস্তির কারনে সুখের ও কোনও জায়গা নেই। কিন্তু সে তো আইনের কথা। আইন যখন আছে, তবে তার ফাঁকও আছে।

আর সেই ফাঁক-ফোকর এমনভাবে কাজে লাগাল ফ্রান্সের এক জেলের বন্দিরা, তা দেখে চোখ কপালে উঠেছে গোটা বিশ্বের। সেখানে মহিলা কারারক্ষীকেই তারা রাজি করিয়ে ফেলেছে মুখমেহনে। বন্দিদশাতেই তাই মিলছে ওরাল সেক্সের সুবিধা, এবং তাদের যৌন সুখের চাহিদা ও মিটছে।

ছোট্ট এই ভিডিও ক্লিপিংই তোলপাড় করে ফেলেছে সেই দেশ। ঘটনাটি দেশের এক প্রথম সারির সংবাদপত্রের খবর হিসেবে প্রকাশিতও হয়েছে। তারপরই নড়েচড়ে বসেছে জেল কর্তৃপক্ষ।
ভিডিও দেখে বন্দির পরিচয় জানতে অসুবিধা হয়নি। জানা যাচ্ছে, মাদক নেওয়া বা এই সংক্রান্ত অপরাধেই সে এখানে বন্দিদশা কাটাচ্ছে। কিন্তু জেলের ভিতরও যৌন সুখের বন্দোবস্ত করে ফেলেছে।

ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটে। জেলের মধ্যেই যে ভিডিওটি তোলা হয়েছে তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, নগ্ন অবস্থায় এক মহিলা কারারক্ষীকে ডাকছেন এক বন্দি।কারারক্ষীটি তার কাছেও চলে গেলেন। তাদের মধ্যে কিছুক্ষণ কথাবার্তা হল। তারপরই এদিক, ওদিক তাকিয়ে মহিলা ঝুঁকে বসে পড়লেন সেই বন্দির সামনে। ভঙ্গিমা দেখে স্পষ্ট যে মুখমেহনের কাজই চলছে।

মহিলা কারারক্ষীকেও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেখানে কাজ শিখতে এসেছিলেন ওই মহিলা কারারক্ষী। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
কিন্তু এই ভিডিও জেলের ভিতরের ছবিটা খুব স্পষ্ট ভাবেই দেখিয়ে দিয়েছে। নামেই বন্দিদশা, আসলে যে জেলের ভিতর নিজস্ব সাম্রাজ্যে বহাল তবিয়তে আছে অপরাধীরা তা একরকম স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে । জেলের মধ্যে ফোন বা নেশার জিনিস সরবারাহ করার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই ।

কিন্তু তা বলে কারারক্ষীকে রাজি করিয়ে ওরাল সেক্সের ঘটনা এর আগে খুব একটা শোনা যায়নি । সবথেকে বড় কথা, মহিলা কারারক্ষীটির উপর কোনওরকম জোর করেননি কিন্তু ওই বন্দি।
যেন কর্তৃপক্ষর চোখ এড়িয়ে নিজের ইচ্ছেতেই এ কাজে রাজি হয়েছিলেন ওই কারারক্ষী। তাহলে কি জেলারের নজর এড়িয়ে বন্দিরা শরীরের চাহিদা মেটাতে সেক্স ব়্যাকেটও চালাচ্ছে জেলের মধ্যে?এখন সেই প্রশ্ন ও উঠতে শুরু করেছে।

আরো পড়ুনঃ
বাসর রাতেই গ্রেফতার আসামি! অত:পর

শনিবার রাতে তাকে নতুন স্ত্রীর পাশ থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, দাউদ জামায়াত কর্মী। তিনি নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।

বিয়ের একদিন পর মধুচন্দ্রিমার রাতে গ্রেফতার হলেন আবু দাউদ মুন্সি নামে এক কাপড় ব্যাবসায়ী। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের টেঙ্গর আলী মুন্সীর ছেলে।

স্থানীয় সাগান্না ইউনিয়নের মেম্বর আমিনুল ইসলাম জানান, চার মাস আগে আবু দাউদের প্রথম স্ত্রী মারা যান। এরপর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পরদিন গ্রেফতার হয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

দাউদের ছেলে একরামুল হক জানান, মায়ের মৃত্যুর পর সংসার দেখাশোনার জন্য তার পিতা গত শুক্রবার সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আসমা খাতুনকে বিয়ে করেন। ছেলের ভাষ্যমতে, তার পিতা জামায়াতের সমর্থক ছিলেন। পুরানো দুইটি মামলায় জামিনে আছেন।

নতুন করে কোন মামলা ছিল না। বিয়ের একদিন পর তার পিতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এতে তার নতুন মায়ের খুবই মন খারাপ হয়।

একরামুলের দুই ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। পিতার গ্রেফতারে তারাও ভেঙ্গে পড়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কনক কান্তি জানান, বিষয়টি যদিও সেনসেটিভ। তারপরও আমার অজানা। ঘটনার দিন আমাদের একাধিক টিম অভিযানে ছিল। কারা গ্রেফতার করেছে তা আমার জানা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here