সরকার গঠন হওয়ার পরেই জামায়াত-শিবির মাঠে নামবে!

0
164

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কিংবা না করা দু’ব্যাপারেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে জামায়াত-শিবির। আর প্রস্তুতি’র পুরোটাই নাশকতা নির্ভর। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে শিবিরের বেশক’টি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার’ও করা হয়েছে শতাধিক নেতা-কর্মীকে। জব্দ করা হয়েছে শিবিরের সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ নথি-পত্র। আর এসব নথিপত্রে উঠে এসেছে শিবিরের নির্বাচন কেন্দ্রিক নানা পরিকল্পনা। আগে মসজিদ, মেস কিংবা গোপন আস্তানায় তারা সংগঠিত হলেও এখন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিতে ব্যবহার করছে টেলিগ্রামসহ নানা ধরণের অ্যাপস।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে জামায়াত-শিবির। তারা পুলিশের ওপর লাগাতার হামলা চালাতে পারে বলে তথ্য পেয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে আগের ধরণ পাল্টে বর্তমানে তারা জঙ্গিদের অনুকরণে টেলিগ্রামের মতো নানা ধরণের অ্যাপস ব্যবহার করছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিবিরের বিভিন্ন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্র’ও জব্দ করেছে পুলিশ প্রশাসন।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বলেন, বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন যেসব অ্যাপস ব্যবহার করত, জামায়াত-শিবির সেসব অ্যাপস ব্যবহার করছে।

সিএমপি’র সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, তারা পুলিশের মনোবল ভেঙে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল। পুলিশের মনোবল ভাঙলেই জনগণের মনোবল ভাঙবে; সেই উদ্দেশেই তারা হামলার পরিকল্পনা করেছিল।

মূলত নির্বাচনের আগে দেশকে অস্থিতিশীল করে ক্ষমতাসীন সরকারকে চাপের মুখে রাখার জন্য শিবির এ ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে দেশকে অস্থিতিশীল করা, জনগণকে আতঙ্কিত করা এবং নিজেদের অস্তিত্বকে জানান দিতে তারা হামলা চালাতে পারে।

সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আমেনা বেগম বলেন, জামায়াত-শিবির কী ধরণের নাশকতা করতে পারে সেই বিষয়ে আমাদের ধারণা দেয়া হচ্ছে। এগুলো ঠেকাতে আমাদের সব ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শিবিরের গোপন নথি অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হওয়ার পরেই মাঠে নামবে তারা। এ অবস্থায় সক্রিয় শিবির কর্মীদের তালিকা তৈরি করছে পুলিশ প্রশাসন।

সম্প্রতি নগরীর সদরঘাট থানা এলাকার একটি আস্তানা থেকে শিবিরের ৪৮ জন শীর্ষ সক্রিয় নেতার পাশাপাশি চট্টগ্রামের অন্তত ৪০০ নেতা-কর্মীর নাম ঠিকানা সম্বলিত একটি তালিকা পেয়েছে পুলিশ। সূত্র: সময় টেলিভিশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here